e77 তৈরি হয়েছে একটিই লক্ষ্য নিয়ে — বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা আর বিনোদন একসঙ্গে পাওয়া যায়।
কেন e77 বেছে নেবেন
e77 শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি একটি সম্পূর্ণ বিনোদন অভিজ্ঞতা
e77-এ ১২৮-বিট SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ নিরাপদ। দুই স্তরের যাচাইকরণ (2FA) সক্রিয় করলে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা আরও বাড়ে।
bKash, Nagad, Rocket সহ সব জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মাত্র কয়েক মিনিটেই ডিপোজিট ও উইথড্রল হয়। e77-এ পেমেন্ট নিয়ে অপেক্ষা করার ঝামেলা নেই।
বাংলাদেশ ক্রিকেট, বিপিএল, এশিয়া কাপ — এই দেশের খেলোয়াড়রা যে খেলাগুলো ভালোবাসেন তার সব কটিই e77-তে আছে। স্থানীয় ম্যাচে সেরা অডস পাওয়া যায়।
e77-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় ব্যবহার করা যায়। সাপোর্ট টিমও বাংলায় কথা বলেন — ভাষার কারণে কোনো সমস্যা হয় না। এটা অনেক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায় না।
e77-এর ডেডিকেটেড মোবাইল অ্যাপ Android ও iOS-এ পাওয়া যায়। ছোট স্ক্রিনেও পুরো সুবিধা — লাইভ বেটিং, গেম, বোনাস ক্লেম সব এক জায়গায়।
ওয়েলকাম বোনাস থেকে ভিআইপি রিওয়ার্ড — e77-এ বোনাসের শর্তগুলো পরিষ্কার ও সহজবোধ্য। কোনো লুকানো শর্ত নেই, যা লেখা আছে তাই পাবেন।
আমাদের লক্ষ্য
e77 প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই একটা কথা পরিষ্কার ছিল — বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক মানের সেবা পাওয়ার যোগ্য, কিন্তু সেটা হতে হবে তাদের নিজের ভাষায়, তাদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং তাদের পছন্দের খেলায়।
আমাদের যাত্রা
২০১৯ সালে ছোট একটি দল নিয়ে শুরু হয়েছিল e77-এর পথচলা। আজ লাখো সদস্যের বিশ্বাস অর্জন করে আমরা বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
যারা তৈরি করেছেন
অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ ও গ্রাহক সেবা পেশাদারদের নিয়ে গঠিত আমাদের টিম সবসময় আপনার জন্য কাজ করছে
অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। e77-কে বাংলাদেশের শীর্ষ প্ল্যাটফর্মে পরিণত করার নেতৃত্বে।
ব্যাংকিং ও ফিনটেক সিস্টেমের প্রাক্তন বিশেষজ্ঞ। e77-এর পেমেন্ট ও নিরাপত্তা অবকাঠামো তার নেতৃত্বে তৈরি।
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের পছন্দ বোঝেন গভীরভাবে। গেম নির্বাচন, অডস ও বোনাস কাঠামো তার তত্ত্বাবধানে।
৫০+ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। e77-এর ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট সেবার কেন্দ্রে তিনি।
আস্থার ভিত্তি
শুধু কথায় নয়, আমরা কাজে প্রমাণ করি
e77 আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ন্ত্রক সংস্থার লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত হয়। প্রতিটি গেম ও বাজার নিয়মিত নিরীক্ষিত।
আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে ভাগ করা হয় না। GDPR-সম্মত ডেটা নীতি অনুসরণ করা হয়।
e77-এর সব ক্যাসিনো গেম সার্টিফাইড RNG (Random Number Generator) দিয়ে পরিচালিত। কোনো কারসাজির সুযোগ নেই।
প্রতিটি আর্থিক লেনদেন PCI-DSS মান অনুযায়ী প্রক্রিয়া হয়। বাংলাদেশের সব বড় মোবাইল ব্যাংকিং সমর্থিত।
নির্ভরযোগ্য দায়িত্বশীল গেমিং সংস্থার সাথে অংশীদারিত্বে e77 সমস্যাজনক জুয়ার বিরুদ্ধে সক্রিয়।
বাংলাদেশের সেরা অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে একাধিকবার পাঠক-নির্বাচিত পুরস্কার পেয়েছে e77।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং ও স্পোর্টস বেটিং নিয়ে মানুষের আগ্রহ বছরের পর বছর ধরে বেড়েছে, কিন্তু একটা সমস্যা সব সময়ই ছিল — বাংলায় ভালো সেবা দেওয়া, পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থন করা, এবং স্থানীয় খেলাধুলাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। e77 তৈরি হয়েছে ঠিক সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে।
২০১৯ সালে কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে e77 কখনো একটি বিষয়ে আপোস করেনি — খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা। প্রতিটি আপডেট, প্রতিটি নতুন ফিচার, প্রতিটি পেমেন্ট পদ্ধতির সংযোজন — সবকিছুই সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে হয়েছে। কী চাই, কোথায় সমস্যা — এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে e77 সব সময় তার সদস্যদের কাছে যায়।
আজ e77-তে ৫ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — দেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ e77-কে বেছে নিচ্ছেন কারণ এই প্ল্যাটফর্মটা সত্যিকার অর্থে তাদের জন্য তৈরি।
বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু খেলা নয় — এটা আবেগ, গর্ব এবং জাতীয় পরিচয়ের একটা অংশ। e77 সেই আবেগকে সম্মান করে। বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রতিটি ম্যাচে e77-তে বিশেষ অডস, প্রোমোশন এবং লাইভ বেটিং সুবিধা থাকে। বিপিএল, এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপ — এই টুর্নামেন্টগুলোতে e77-এ সবচেয়ে বেশি বাজি পড়ে কারণ অডস ভালো আর প্রোমোশন আকর্ষণীয়।
শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবল — বিশেষত প্রিমিয়ার লিগ, UCL ও লা লিগা — এবং টেনিস, ব্যাডমিন্টনসহ আরও অনেক খেলায় বাজি রাখা যায় e77-তে। প্রতিদিন শত শত ম্যাচের বাজার থাকে — প্রি-ম্যাচ এবং লাইভ উভয়ই।
স্পোর্টস বেটিংয়ের পাশাপাশি e77-তে রয়েছে একটি সম্পূর্ণ অনলাইন ক্যাসিনো বিভাগ। লাইভ রুলেট, ব্ল্যাকজ্যাক, বাকারা — এগুলো সত্যিকারের ডিলারের সঙ্গে খেলা যায়। স্লট গেমে রয়েছে হাজারের বেশি বিকল্প, যার মধ্যে অনেকগুলো বাংলাদেশি থিমের। প্রতিটি গেমের RTP (Return to Player) হার পরিষ্কারভাবে দেখানো থাকে — খেলোয়াড় জানেন কোন গেমে গড়ে কতটুকু ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
e77-এর ক্যাসিনো গেমগুলো Pragmatic Play, Evolution Gaming, Microgaming-এর মতো বিশ্বখ্যাত কোম্পানির তৈরি। এই কোম্পানিগুলো তাদের গেমের ন্যায্যতা নিয়মিত তৃতীয় পক্ষ দিয়ে অডিট করায় — তাই e77-এ গেম খেলা মানে যাচাইকৃত ন্যায্য পরিবেশে খেলা।
বাংলাদেশের মানুষের কাছে মোবাইল ব্যাংকিং এখন নিত্যজীবনের অংশ। e77 সেই বাস্তবতা বুঝে। bKash, Nagad ও Rocket-এ মাত্র কয়েক মিনিটেই ডিপোজিট সম্পন্ন হয় এবং উইথড্রলও একই গতিতে প্রসেস হয়। বড় অঙ্কের লেনদেনের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার ও ক্রিপ্টোকারেন্সির বিকল্পও রয়েছে।
e77-তে উইথড্রলের গড় সময় ৩ মিনিট — এটা শিল্পের মানদণ্ডের চেয়ে অনেক কম। কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব নেই। টাকা জিতলে সেটা দ্রুত হাতে পাবেন — এটাই e77-এর প্রতিশ্রুতি।
e77 থেমে নেই। প্রতি মাসে নতুন গেম, নতুন ফিচার এবং উন্নত সেবা যোগ হচ্ছে। আসছে ই-স্পোর্টস বেটিং বিভাগ, ভার্চুয়াল স্পোর্টস এবং আরও উন্নত লাইভ ক্যাসিনো অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের এই সময়ে e77 চায় সবার হাতের মুঠোয় বিশ্বমানের গেমিং পৌঁছে দিতে — নিরাপদে, দায়িত্বশীলভাবে।
e77 মনে করে গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের জন্য, চাপ বা আসক্তির উৎস হওয়া উচিত নয়। সীমা নির্ধারণ, সেলফ-এক্সক্লুশন ও সহায়তার বিস্তারিত জানতে দায়িত্বশীল খেলা পাতা দেখুন।
প্রায়ই জিজ্ঞেস করা হয়
এখনই শুরু করুন
মাত্র ২ মিনিটে অ্যাকাউন্ট খুলুন, ন্যূনতম ৳২০০ ডিপোজিট করুন এবং ১০০% ওয়েলকাম বোনাস পান। আজই শুরু করুন।